• আজ ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

রমজানে ১৪ হাজার কপি কোরআন বিতরণ করবে দুবাইয়ে’র একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান

| ডেস্ক এডিটর ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১ আন্তর্জাতিক

পবিত্র কোরআনের ১৪ হাজার কপি বিতরণ করবে দুবাইয়ের একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান আসন্ন রমজান উপলক্ষে ১৩ ভাষায় অনূদিত পবিত্র কোরআনের ১৪ হাজার কপি বিতরণ করবে দুবাইয়ের একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান।

ইতিমধ্যে পবিত্র কোরআনের কপিগুলো দুবাই কাস্টমস দেশটির প্রাচীনতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দার আল বির সোসাইটিকে প্রদান করেছে। দুবাই কাস্টমস ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করে।

বিশ্বের ১৩টি ভাষায় অনূদিত পবিত্র কোরআনের কপি বিতরণ করা হবে। এতে ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, জার্মানি, পর্তুগিজ, রাশিয়ান, চায়নিজ, সোমালিয়া, উর্দুসহ অন্যান্য ভাষাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

দার আল বির দুবাইয়ের প্রাচীনতম একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ইসলামের সহিষ্ণুতা ও নিম্ন আয়ের মানুষের মানসম্মত জীবনযাত্রা নিয়ে কাজ করে সংগঠনটি।

এদিকে পবিত্র কোরআনের শিক্ষা প্রসার ও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম বৃদ্ধিতে দার আল বিরের অংশীদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে দুবাই কাস্টমস। সূত্র : গালফ নিউজ।

আরো পড়ুন-কানাডিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ ‘একজন অমুসলিমের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত’

কানাডিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ ‘একজন অমুসলিমের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত’ কানাডা বংশোদ্ভূত ইংরেজি শিক্ষিকা জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি অনলাইনে শিশুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন।

পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করছেন।

ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর দীর্ঘ পড়াশোনার পর ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি ইসলাম গ্রহণ করেন।

গত এক দশক যাবত তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে বসবাস করছেন এবং ইংরেজি ভাষা শেখাচ্ছেন। এছাড়াও শিশুদের জন্য সাধারণ বিষয়াবলি নিয়ে বিভিন্ন তথ্যাবলি সম্প্রচার করতেন। তার্কিশ ও ইংরেজি ভাষায় ইসলাম ও মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষামূলক বিভিন্ন পোস্ট করেন।

মোলেন্ডিক কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার আর মা ছিলেন একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন।

জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে তিনি মুসলিমদের সঙ্গে নানা বিষয়ে বিতর্ক শুরু করেন।

মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। তাদের বিশ্বাস সম্পর্কে আমার কোনো ধারণ ছিল না।

আমার জানা ছিল না যে আমরা একজন অভিন্ন নবীর প্রতি বিশ্বাস করি। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি।

সপ্তাহে একদিন আমাকে মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ করতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।’

‘দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি। অবশেষে ২০০৬ সালের ১৪ মে আমি ইসলাম গ্রহণ করি।

তা ছিল আমার জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত। আমার জন্য নতুন এক জগত উম্মুক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা।’

প্রথম দিকে মোলেন্ডিকের বাবা তাঁর ইসলাম গ্রহণের বিরোধিতা করেন এবং তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান করেন। কিন্তু মোলেন্ডিক নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল থাকেন। ২০১২ সালে তুরস্কের সামি ডিভলিলির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এরপর তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের প্রথম দিন থেকে তিনি হিজাব পরিধান শুরু করেন।

ইসলাম নিয়ে পড়তে গিয়ে মোলেন্ডিকের মনে হয়েছে, তাঁর নিজস্ব জীবনাচার ও সংস্কৃতি পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় পড়েন তিনি। কিন্তু একজন মুসলিম ব্যক্তিত্বের একটি আলোচনা শুনে তাঁর ভীতি কেটে যায়।


করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন সময়ের সংবাদে । আজই পাঠিয়ে দিন Smersngbd.com@gmail.com মেইলে - Smersngbd.com@gmail.com