• আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

গলাচিপায় কিশোরী দুপচাঁচিয়ায় ছাত্রী নওগাঁয় গৃহবধূ ধর্ষণ

| ডেস্ক এডিটর ৪:৪৯ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৯, ২০২০ জাতীয়

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পটুয়াখালীর গলাচিপায় ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক কিশোরী।নওগাঁর নিয়ামতপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে একজন।

দুপচাঁচিয়ায় পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ
দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান,বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পঞ্চম শ্রেণীর এক মাদরাসাছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে ইশতিয়াক চৌধুরী ওরফে ইফতি (১৯) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত সোমবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ইফতি উপজেলার তালোড়া পৌর এলাকার তালোড়া চৌধুরীপাড়া মহল্লার ইউনুস চৌধুরীর ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়,ধর্ষিত ছাত্রীর বাবা একজন দরিদ্র ভ্যানচালক আর মা একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন।

তাদের মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।মা-বাবার অনুপস্থিতিতে মেয়েটি অভিযুক্ত ইফতির বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া ও খেলাধুলা করত।

গত ৩০ অক্টোবর ইফতির বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা মেয়ে তার পিতা-মাতাকে জানায়। সেই সাথে ক্ষোভে আত্মহত্যার হুমকিও দেয়।

তার মেয়ে তাদের আরো জানায়,অভিযুক্ত ইশতিয়াক ইতঃপূর্বে তাকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। ইফতি বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতিও দেখিয়েছে।গত ১৬ নভেম্বর বিকেলে ধর্ষিতার বাবা বাদি হয়ে দুপচাঁচিয়া থানায় ইফতিকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

দুপচাঁচিয়া থানার ওসি হাসান আলী বলেন,মামলা গ্রহণের পর অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতেই আসামি ইশতিয়াক চৌধুরী ওরফে ইফতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভিকটিম ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

গলাচিপায় ধর্ষণের শিকার কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা
গলাচিপা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা জানান,পটুয়াখালীর গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে এক কিশোরী ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। জানা গেছে,মা-বাবার সংসার ভেঙে যাওয়ায় কিশোরীটির আশ্রয় জোটে মামা শহিদুল আকনের বাড়িতে।

মামা বাজারে বাজারে কলা বিক্রি করে পরিবার পরিজনের ভরণপোষণ করেন।পাশাপাশি বসবাস হওয়ায় এবং শহিদুল আকনের ঘরে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে লম্পট কামরুল ধর্ষণ করে কিশোরীকে।

কাউকে এ ঘটনা না জানানোর জন্য ভয়ভীতি ও খুন করার হুমকি দেয় কামরুল। এর সাথে মেয়েটিকে দেয়া হয় বিয়ের আশাস।প্রথম ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে ১০ এপ্রিল বিকালে।এভাবে বারবার ধর্ষিত হয়েছে অনাথ ১৬ বছরের ওই কিশোরী।

সূত্র জানায়,এরই এক পর্যায়ে কিশোরীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তার শরীরে গর্ভের লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বিষয়টি টের পেয়ে কিশোরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার মামী।

কিশোরী কোনো কিছু গোপন না করে মামীকে সব কিছু বলে দেয়।কিশোরীর মামা বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হন।তারা কিশোরী ও ধর্ষণকারীর মধ্যে বিয়ে দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন।

তাদের এ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সোমবার ধর্ষিত কিশোরী ধর্ষক কামরুল আকনের (৩০) বিরুদ্ধে গলাচিপা থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষক কামরুল আকন একই গ্রামের ছিদ্দিক আকনের ছেলে।

গলাচিপা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান,ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা এবং বয়স নিরূপণের জন্য পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

নওগাঁয় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে একজন জেলহাজতে
নওগাঁ সংবাদদাতা জানান,নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে কামরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী বাদি হয়ে মামলার চার ঘণ্টা পর সোমবার ভোরে অভিযুক্তকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের ভালাতৈড় (ফাটকিপাড়া) গ্রামের মৃত মোস্তফার ছেলে।

জানা গেছে,ভুক্তভোগী গৃহবধূ গত ১১ নভেম্বর বাড়ির পাশে মাঠে হাঁস খুঁজতে যাওয়ার সময় কামরুজ্জামান তাকে জোর করে সেচপাম্পের ঘরে নিয়ে মুখে গামছা চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করে।এ সময় গৃহবধূ অজ্ঞান হয়ে পড়লে কামরুজ্জামান তাকে ঘরের ভিতরে রেখে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

পরে গৃহবধূর জ্ঞান ফিরে দেখেন ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকানো।গৃহবধূর চিৎকার শুনে তার জা ও প্রতিবেশীরা তাকে ঘরের তালা ভেঙে উদ্ধার করে। কামরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে ওই সেচপাম্প দিয়ে জমিতে পানি সেচ করে আসছেন।

ঘটনার পর কামরুজ্জামান বিভিন্নভাবে গৃহবধূ ও তার স্বামীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন।ভুক্তভোগী পরিবারটি থানায় যেতে না পেরে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য নেতাদের পিছনে ঘুরতে থাকে।

কোথাও কোনো বিচার না পেয়ে অবশেষে থানায় মামলা দায়েরের চার ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ আসামি কামরুজ্জমানকে গ্রেফতার করে।নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন,গত রোববার রাতে গৃহবধূ বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।সোমবার ভোর ৪টায় কামরুজ্জামানকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

, , ,

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন সময়ের সংবাদে । আজই পাঠিয়ে দিন Smersngbd.com@gmail.com মেইলে - Smersngbd.com@gmail.com