বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের একজন কঠোর পরিশ্রমী খেলোয়াড়ের কথা ভাবলেই যার নামটা সবার আগে মস্তিষ্কে চলে আসে তিনি মুশফিকুর রহিম। শ্রম ও অধ্যবসায়ে নিজেকে দেশের সেরা ব্যাটসম্যানের আসনে বসিয়েছেন এই তারকা ব্যাটসম্যান।

দেশের ক্রিকেটে রান মেশিন হিসেবেই পরিচিত মুশফিক। ধারাবাহিক রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক। করোনাকালীন সময়ে মুশফিকের অনুশীলন থেমে থাকেনি।

ঘরে বসে নিজেকে ফিট রাখার কাজ করেছেন প্রতিনিয়ত। উদ্বুদ্ধ করেছে দেশের তরুণ সমাজকে। মহামারী এই সময়ে করেছেন অসংখ্য সামাজিক কাজ অসহায় মানুষকে সাহায্য করেছেন, তাদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাট নিলামে বিক্রি করেছেন।

দেশের প্রথম সারির এক জাতীয় দৈনিককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মুশফিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্যাপারে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।সেখানে তিনি জানিয়েছেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নিজে একটি হাসপাতাল তৈরি করতে চান, যেখানে দেয়া হবে বিনামূল্যে চিকিৎসা।

নিজের নামে করা ‘এম আর ফাউন্ডেশন’ এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেই জাতীয় দৈনিককে মুশফিক জানান, ‘আমার ইচ্ছে একটা হাসপাতাল করব, যেখানে বিনা মূল্যে চিকিৎসা হবে। এটাই আমার মূল লক্ষ্য। এ ছাড়া ফাউন্ডেশনের অধীনে আমার জেলা বগুড়ায় একটা ক্রিকেট একাডেমি করার পরিকল্পনা আছে। এখন আমরা শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি।

বগুড়ায় কিছু দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে আমরা ৮-১০ বছর যাবৎ মাসিক বৃত্তি দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করছি। আমরা চাইছি এটা আরও বড় পরিসরে করতে। বগুড়া থেকে আমরা যেন এটা পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারি। এ ছাড়া বন্যাদুর্গত মানুষকেও সাহায্য করার চেষ্টা করেছি।